১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ
১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ
-
আপলোড সময় : 11 এপ্রিল 2026 04:56:25 অপরাহ্ন
ছবির ক্যাপশন
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর জ্বালানি সরবরাহের ওপর থেকে চাপ কমার ইঙ্গিত মিলছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে অন্তত পাঁচটি জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে এসব জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশের জলসীমায় প্রবেশ করছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং শিপিং এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, এই চালানে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালের জন্য এলএনজি এবং চট্টগ্রামের জন্য এলপিজি রয়েছে।
আগামী শুক্রবার মালয়েশিয়া থেকে ২,৪৭০ টন কার্গো নিয়ে ‘মর্নিং জেলি’ নামক একটি এলপিজি বহনকারী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬৯ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘ইএমইআই’ নামক একটি জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১১ এপ্রিল একই টার্মিনালে প্রায় একই পরিমাণ কার্গো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসার কথা রয়েছে ‘কংটং’ নামক আরেকটি এলএনজি জাহাজের। ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে একটি জাহাজ ‘পল’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। এই তালিকার সর্বশেষ জাহাজ ‘ম্যারান গ্যাস হাইড্রা’ ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬৪,৬৭৮ টন এলএনজি নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়েত হামিম বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচটি জাহাজেরই আসার ঘোষণা পাওয়া গেছে এবং জাহাজগুলো বর্তমানে সমুদ্রপথে রয়েছে।
এর আগে বুধবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামে একটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ট্যাংকারটি নোঙর করেছে। এরপর শুরু হয় অকটেন খালাসের কার্যক্রম।
এছাড়াও বুধবার রাতেই মালয়েশিয়া থেকে হাই সালফার ফুয়েল অয়েল নিয়ে ‘ইস্টার্ন কুইন্স’ নামে আরেকটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসে।
এর আগে ২ ও ৫ এপ্রিল যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়া থেকে ৬৯ হাজার ৮৮১ টন এবং ৬৮ হাজার ৬৪৮ টন এলএনজি দেশে আসে, যা জ্বালানি সরবরাহে চাপ কমাতে সহায়ক হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ কবির বলেন, চলতি মাসে মোট ৯টি এলএনজি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে দুটি জাহাজ চলে এসেছে এবং খালাস প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিটি জাহাজ সাধারণত ৬৯,০০০ থেকে ৭০,০০০ টন গ্যাস বহন করে বলে তিনি জানান।
আরপিজিসিএল কর্মকর্তাদের মতে, গত মার্চ মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে আটটি জাহাজে করে প্রায় ৬ লাখ টন এলএনজি আমদানি করেছে বাংলাদেশ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Mahi Liakat
কমেন্ট বক্স