যেদিন কম সেদিন সাত ঘণ্টা, কোনো দিন আবার ১০ ঘণ্টারও বেশি হয় লোডশেডিং
যেদিন কম সেদিন সাত ঘণ্টা, কোনো দিন আবার ১০ ঘণ্টারও বেশি হয় লোডশেডিং
-
আপলোড সময় : 17 এপ্রিল 2026 02:53:28 অপরাহ্ন
ছবির ক্যাপশন
"রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চার থেকে পাঁচ বার বিদ্যুৎ যায়। দিনে রাতে অর্ধেকের বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। একদিকে গরম যেমন বাড়তেছে, সেই সাথে লোডশেডিংও। যেদিন কম সেদিনও সাত ঘণ্টা, কোনদিন আবার ১০ ঘণ্টারও বেশি হয় লোডশেডিং"।
মেহেরপুরের আমঝুপির বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বিবিসি বাংলার কাছে এই অভিজ্ঞতা জানাচ্ছিলেন সেখানকার ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান লিটন।
ঢাকার বাইরে কয়েকটি জেলার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন চারদিন থেকে সারাদেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। দিন ও রাতের বড় একটা সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।
বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন জেলার পৌর এলাকার বাইরে যে সব এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ সরবারহ করে থাকে সে সব জায়গায় লোডশেডিংয়ের অভিযোগ সবচেয়ে বেশি।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারাও অবশ্য সেটি মানছেন। তারা বলছেন, কোথাও লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ৩০ শতাংশ থেকে ৪৬ শতাংশ পর্যন্তও বাড়ছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই তিন মাস দেশে গরম যেমন বাড়ে, তেমনি বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ে। তবে এবার জ্বালানি সংকটসহ নানা কারণে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির সংকট তৈরি হওয়ার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় রোধে অফিসের সময় কমানো, শপিং মল দ্রুত বন্ধ করাসহ নানা প্রচেষ্টা শুরু করেছে সরকার। কিন্তু লোডশেডিং পরিস্থিতির কারণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, সেসব ব্যবস্থা কতটা কাজে লাগছে।
যদিও এই সংকট কাটাতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Mahi Liakat
কমেন্ট বক্স