ঢাকা | লোড হচ্ছে...
ADVERTISEMENT হেডার মেইন বিজ্ঞাপন
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলাম গ্রহণ করেছেন রবার্তো কার্লোস? দাবির পর তুমুল আলোচনা, এখনো মেলেনি আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক আটক হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ: হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট। সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনয়শিল্পী ডন আটক সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা: সব গেট বন্ধ, জিরো পয়েন্টে মিছিল আটকালো পুলিশ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ক্ষমতায় নয়, কারাগারেই যেতে হবে: সোহেল তাজ সিলেটে হামের প্রকোপ অব্যাহত: ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১১৩, নতুন শনাক্ত ২০ দুই তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৬ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড কেন ইসরায়েল ছাড়ছেন লাখো মানুষ? গবেষণায় উঠে এলো উদ্বেগজনক চিত্র বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ: কেন পিছিয়ে পড়ল জাপান?

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ৪৩ বস্তা টাকা

  • Ashik Islam
    Ashik Islam
    Staff Reporter | আপলোড সময়: 27 জুন 2026 11:48 পূর্বাহ্ন
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ৪৩ বস্তা টাকা

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ৪৩ বস্তা টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছে। দীর্ঘ ছয় মাস পর খোলা হলো মসজিদটির দানবাক্স। দানবাক্স থেকে পাওয়া গেছে ৪৩ বস্তা টাকা।  

 

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এসময় জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর মসজিদের দানবাক্স খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হলো। তাই ধারণা করা হচ্ছে এবার রেকর্ড পরিমাণ টাকা পাওয়া যাবে। এরই মধ্যে ১৩টি দানবাক্সে মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। শুরু হয়েছে গণনার কাজ। দানবাক্স খোলা ও গণনা কার্যক্রম সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

 

 এর আগে, সর্বশেষ গত ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল দানবাক্সগুলো। সে সময় ১৩টি সিন্দুকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এ ছাড়া, বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকারসহ নানা পণ্যসামগ্রী পাওয়া যায়।

 

প্রসঙ্গত, সব ধর্মের মানুষের কাছে পাগলা মসজিদ এক সার্বজনীন পবিত্র ধর্মীয় কেন্দ্র। মানুষজন বিশ্বাস করেন, যদি কেউ একনিষ্ঠ নিয়তে পাগলা মসজিদে কোনো কিছু দান করে, তাহলে তার মনের বাসনা পূরণ হয়। এমন বিশ্বাসের কারণে মানুষজন পাগলা মসজিদে প্রচুর দান-খয়রাত করেন। 

 

অনেক মানুষ মনের বাসনা, রোগমুক্তি, উচ্চ শিক্ষা, সন্তান লাভসহ বিভিন্ন নিয়তে এই মসজিদে মানত করে থাকেন। শুধু টাকা-পয়সা নয়, অনেকেই স্বর্ণালংকার, হাঁস-মুরগি, গবাদি প্রাণী ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী দান করে থাকেন।

 

প্রচলিত আছে, পাগলবেশী এক আধ্যাত্নিক সাধক নরসুন্দা নদীর বুকে মাদুরে ভেসে মসজিদের স্থানে এসে অবস্থান নেন। এরপর ধীরে ধীরে তাকে ঘিরে ভক্ত সমাগম হতে থাকে। আধ্যাত্নিক সাধকের মৃত্যুর পর তার কবরের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। যা বর্তমানে পাগলা মসজিদ নামে সুপরিচিত।

 

১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ-স্টেট মসজিদটি পরিচালনা করছে। মসজিদটি আড়াইশো বছরের পুরনো। কিশোরগঞ্জ সদরের নরসুন্দা নদীর তীরে তিন একর ৮৮ শতাংশ জায়গার ওপর ঐতিহাসিক এ মসজিদটি অবস্থিত।


আপনার মতামত লিখুন

সর্বশেষ সংবাদ
LIVE TV