লালমনিরহাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড একাধিক গ্রাম
লালমনিরহাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড একাধিক গ্রাম
-
আপলোড সময় : 04 এপ্রিল 2026 07:20:30 অপরাহ্ন
ছবির ক্যাপশন
লালমনিরহাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে একাধিক গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘর চাপা পড়া ও শিলাবৃষ্টির আঘাতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আকস্মিক এ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে জেলার পাঁচ উপজেলার শত শত বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পাশাপাশি হাজার হাজার বিঘা জমির উঠতি ফসল—বিশেষ করে ভুট্টা ও তামাক—ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলার আদিতমারী উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ও দলগ্রাম এলাকা এবং সদর উপজেলার অসংখ্য গ্রামে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শত শত বসতবাড়ি ভেঙে গেছে এবং হাজার হাজার বিঘা জমির ভুট্টা ও তামাকের ক্ষেত নষ্ট হয়েছে।
আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের চন্ডিমারী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সইদুল ইসলাম জানান, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝড়ে তার বসতবাড়ি ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। প্রাণ বাঁচাতে তারা মাটিতে শুয়ে পড়েন। এ সময় তার মা চোখে আঘাত পান।
হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার ভুট্টার ক্ষেত মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উত্তম কুমার নন্দী জানান, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন।
জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নিতে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা হবে।
তিনি আরও জানান, আহত পাঁচজনের মধ্যে দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Mahi Liakat
কমেন্ট বক্স