অক্টোবরে জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা
Article Information
Author,রাকিব হাসনাত
Role,বিবিসি নিউজ বাংলা
৪ মার্চ ২০২৬
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
বাংলাদেশে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ এবং গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল জারির পর এটিই আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠতে যাচ্ছে কি না সেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে অনেকের মধ্যে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথেই হওয়া সংবিধান সংস্কার বিষয়ে গণভোটে হ্যাঁ জিতলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় যাওয়া বিএনপি।
এরপর আবার এ বিষয়টি আদালতে নিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটে থাকা এনসিপি। সংসদ নির্বাচনে দল দুটি থেকে নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের সময় সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছে।
কিন্তু বিএনপি ওই শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন আদৌ আর হবে কি-না সেই আলোচনাও আছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ''রাজনৈতিকভাবে অনেক ধরনের বক্তব্য আসতে পারে কিন্তু যেসব বিষয়ে আদালতে রিট হয়েছে, সেসব বিষয়ে আদালত থেকে কী নির্দেশনা আসে সেটিও সংসদকে আইন প্রণয়নের সময় বিবেচনায় নিতে হবে''।
বিজ্ঞাপন
ফলে জুলাই সনদ ও গণভোটের বৈধতার প্রশ্নে আদালত থেকে কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসে এবং এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপির রাজনৈতিক লড়াই কতদূর এগোয়, তার ওপর রাজনীতির গতি প্রকৃতি অনেকটাই নির্ভর করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, সব মিলিয়ে জুলাই সনদ প্রসঙ্গটিই সামনে রাজনীতিতে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে ওঠার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।